Published মে ১৫, ২০২৬ by Shagor 1 comment

বৃহস্পতিবার রাত মানেই

 বৃহস্পতিবার রাত—স্বামী-স্ত্রীর জীবনে একান্ত ভালোবাসা, শান্তি আর কাছাকাছি আসার একটি বিশেষ সময়। সপ্তাহজুড়ে ব্যস্ততার পর এই রাতটুকু যেন দু’জনের জন্য আলাদা করে রাখার এক সুন্দর সুযোগ।

এই সময়টায় একসাথে আকাশের দিকে তাকিয়ে চাঁদ দেখা, নিরিবিলি বসে দু’জনে গল্প করা, মন খুলে নিজের অনুভূতিগুলো ভাগ করে নেওয়া—এসব ছোট ছোট মুহূর্তই সম্পর্ককে গভীর করে তোলে। ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে এমন কিছু সময়ই ভালোবাসাকে নতুন করে অনুভব করায়।

আর এই রাতের সবচেয়ে সুন্দর দিক হতে পারে—একসাথে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা। দু’জন মিলে আল্লাহর কাছে দোয়া করা, একে অপরের জন্য মঙ্গল কামনা করা—এতে সম্পর্ক শুধু দুনিয়াবি আনন্দেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা পবিত্রতা ও আত্মিক বন্ধনে আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে।

তাই বৃহস্পতিবার রাত শুধু “এক্সট্রা সুখ” এর নয়, বরং ভালোবাসা, যত্ন, প্রশান্তি আর ইবাদতে ভরা একটি অর্থপূর্ণ সময়—যা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আরও সুন্দর ও মজবুত করে তোলে। 🥰

quotes


•|•

নারীদের একটা সেন্স কম, সেইটা হলো এরা বুঝতে পারে না যে ছেলেটা সংসারী টাইপের। সংসারী বলতে শুধু যে নারীই হবে জিনিসটা এমন না। স্বামীকেও সংসারী হতে হয়। সংসারী স্বামী কি জিনিস? যে পুরুষ কাজ শেষ করে এক মিনিটও বাহিরে তার ভাল লাগবে না। সাথে সাথে বাসায় চলে আসবে। একটু ফ্রি হলো সাথে সাথে ই স্ত্রী এবং সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে গেল। সারাদিন কাজ শেষ করে এসে দেখলো যে স্ত্রী কাজ করছে সে স্ত্রীর কাজে সাহায্য করতে শুরু করলো। সে সকালে উঠে বাজারটা করে বাসায় দিয়ে তারপর কাজে চলে গেল। নারীরা সংসারী পুরুষ চিনে না। পুরুষকে অব্যশই সফল হতে হবে কিন্তু সংসারীও হতে হবে। স্বামী যদি সংসারী না হয় কপালে অনেক দুঃখ থাকে ঐ নারীর।'

•|•

অভি’মানী হওয়াটাই মেয়েদের সৌন্দর্য, সৃষ্টিকর্তা নিজেই তাদের অভি’মানী রূপে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। ঢং করবে, ন্যাকামি করবে, চিল্লাবে অযথা রাগ করবে, সামান্য কথায় চোখে জল চলে আসবে আর হুটহাট অভি’মানে গাল ফুলিয়ে বসে থাকবে। এই মোহনীয় দৃশ্য সামলিয়ে ভালোবেসে আগলে রাখতে পারলেই; আপনি একজন প্রকৃত পুরুষ।' 💙

•|•

একজন আদর্শবান পুরুষ বলেছিলেন বউ হবে বউয়ের মতো, তার স্বভাব থাকবে বাচ্চামি। সে রাগ করবে, বায়না ধরবে এটা লাগবে, ওটা লাগবে। না দিতে চাইলে কাঁদবে, আমি তার সব বায়না মেনে নেব। আমার সবটুকু দিয়ে তার ইচ্ছে পূরণ করব, কর্মব্যস্ততার মাঝেও ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করব খেয়েছো কিনা। কাজ শেষে বাড়ি ফিরলে হাতে নিয়ে আসবে ঠান্ডা পানি,

খুলে দেবে শার্টের বোতাম, কপালে চুমু খেয়ে জড়িয়ে ধরে মিষ্টি কণ্ঠে বলবে ভালোবাসি..! 🤍

•|•

জীবনের সঙ্গী হিসেবে তাকেই বেছে নিন, যার কাছে ভালোবাসার চেয়েও আপনার সম্মান বেশি মূল্যবান। সময়ের সাথে আবেগ কমতে পারে, কিন্তু পারস্পরিক শ্রদ্ধা থাকলে সম্পর্ক কখনো বিষাক্ত হয় না। ভালোবাসা ছাড়া হয়তো জীবন চলে, কিন্তু আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে কোনো সম্পর্ক টিকে না।

যেখানে সম্মান থাকে, সেখানে বিশ্বাস আর মানসিক শান্তি আপনাআপনিই আসে। যে মানুষ আপনার অনুভূতি ও ব্যক্তিত্বকে সম্মান করতে জানে, সেই-ই প্রকৃত ভালোবাসার যোগ্য।🌻

•|•

বিয়ের পর থেকেই আমার একটা বদঅভ্যাস ছিলো।

স্ত্রী যখনই কোনো কথা বলতে আসতো, আমি ঠিকমতো শুনতাম না। ফোন টিপতে টিপতে “হুম”, “আচ্ছা”, “ঠিক আছে” বলে এড়িয়ে যেতাম।

একদিন রাতে অফিস থেকে ফিরেছি খুব ক্লান্ত হয়ে। দরজা খুলতেই স্ত্রী দৌড়ে এসে বললো, “শুনো, আজকে একটা মজার ঘটনা হয়েছে!”

আমি জুতা খুলতে খুলতে বললাম, “পরে বলো তো। মাথা ধরেছে।”

সে চুপ হয়ে গেলো।

পরদিন সকালে নাস্তা করতে বসে আবার বললো, “কালকে তোমাকে একটা কথা বলছিলাম না…”

আমি এবারও ফোনের দিকে তাকিয়ে বললাম, “হুম, বলো।”

সে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললো, “থাক, দরকার নেই।”

আমি খেয়ালই করলাম না।

এভাবেই চলছিলো।

স্ত্রী ধীরে ধীরে কম কথা বলা শুরু করলো। আগে আমি বাসায় ফিরলে হাজারটা গল্প করতো। এখন শুধু দরজা খুলে দেয়, খাবার দেয়, তারপর নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়।

আমি ভেবেছিলাম, এটাই ভালো। কম কথা, কম ঝামেলা।

এক শুক্রবারে অফিস বন্ধ ছিলো। ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসা একদম চুপচাপ। ড্রইংরুমে গিয়ে দেখি স্ত্রী বারান্দায় বসে আছে। হাতে একটা পুরোনো ডায়েরি।

আমি মজা করে বললাম, “কি ব্যাপার? প্রেমপত্র নাকি?”

সে মৃদু হেসে বললো, “না। এখানে আমি প্রতিদিনের কথা লিখি।”

“মানে?”

“তোমাকে বলতে ইচ্ছে হওয়া কথাগুলো। যেগুলো তুমি শোনার সময় পাও না।”

কথাটা শুনে অদ্ভুত লাগলো।

আমি ডায়েরিটা হাতে নিলাম। প্রথম পাতায় লেখা—

“আজ ছাদে একটা ছোট্ট বিড়াল এসেছিলো। ওকে দুধ খাইয়েছি। ভাবছিলাম তাকে নিয়ে ওকে বলবো।”

আরেক পাতায় লেখা-

“আজ খুব মন খারাপ ছিলো। ইচ্ছে করছিলো একটু পাশে বসুক।”

আরেক জায়গায়

“আজ ওর পছন্দের রান্না করেছিলাম। ও খেয়েছে, কিন্তু খেয়ালই করে নি।”

পাতাগুলো পড়তে পড়তে বুকের ভিতর কেমন যেন লাগতে শুরু করলো।

একটা মানুষ প্রতিদিন আমার সাথে একই ছাদের নিচে থেকেও কত একা ছিলো-আমি বুঝতেই পারি নি।

সেদিন প্রথমবার ফোনটা বন্ধ করে স্ত্রীর পাশে গিয়ে বসলাম।

বললাম, “আজকে তোমার সব গল্প শুনবো।”

সে অবাক হয়ে তাকালো। “সত্যি?”

“হুম। আজ কোথাও যাবো না।”

তারপর সে একটার পর একটা গল্প বলতে লাগলো। পাশের বাসার আন্টির কথা, ছাদের বিড়ালের কথা, বাজারে এক বাচ্চার হাসির কথা…

আমি শুধু শুনছিলাম।

হঠাৎ বুঝলাম- ভালোবাসা সবসময় বড় বড় কিছু না। কখনো কখনো শুধু মন দিয়ে শোনাটাও ভালোবাসা।

সন্ধ্যায় স্ত্রী বললো, “জানো, আজ অনেকদিন পর মনে হচ্ছে আমি আবার আগের মতো কথা বলতে পারছি।”

আমি হেসে বললাম, “আর আমি অনেকদিন পর বুঝলাম, সংসারে শুধু টাকা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না।”

রাতে ঘুমানোর আগে স্ত্রী ডায়েরিটা বন্ধ করে বললো, “আজ থেকে আর এটা লাগবে না মনে হয়।”

আমি বললাম, “না, এটা রেখো। তবে এখন থেকে আগে আমাকে বলবে, তারপর ডায়েরিতে লিখবে।”

সে হেসে ফেললো।

সেদিনের পর আমি একটা জিনিস শিখেছিলাম—

সংসারে সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার অভাব না, অবহেলা। আর সবচেয়ে বড় ভালোবাসা হলো, কারো ছোট ছোট কথাগুলোও মন দিয়ে শোনা।'🌻

•|•

Read More
Published মে ১৩, ২০২৬ by Shagor0 comment

ধনীদের জন্য বাংলাদেশ

বাংলাদেশ মূলত ধনীদের দেশ! 

আর জার্মানি গরীবদের দেশ। অফুরন্ত টাকা থাকলে বাংলাদেশ বসবাসের জন্য সেরা একটি দেশ।

এই ধরেন, কারিনা কায়সার কে - চিকিৎসার জন্য এয়ার এম্বুলেন্সে করে ইন্ডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।  টাকা আছে তাই উন্নত চিকিৎসা!! ওর জায়গায় অন্য সব আমজনতা হলে, হসপিটালে মারা যেতো। সো তার মানে বাংলাদেশে সবার জীবনের মূল্য এক না? সবার জন্য চিকিৎসাও এক না!! টাকা থাকলে সুবিধা আছে, টাকা না থাকলে নাই।

এই ধরেন জার্মানিতে সবার জন্য সমান ব্যবস্থা,  এখন মনে করেন জার্মানিতে যে কেউ অসুস্থ হলো? দ্রুত হসপিটালে নিতে হবে। তার জন্য তখন হেলিকপ্টার আসবে!! আর আমি এগুলো নিজের চোখে দেখছি ও..? এবং এটা খুব‌ই কমন ব্যাপার। কারণ এখানে কে ধনী আর কে গরীব এগুলো দেখে না!! কোন দেশ কোন দল, কোন জাত এগুলো এখানে কেয়ার করে না। একটা মানুষ অসুস্থ!! ঐ মূহুর্তে যেটা ভালো সবচেয়ে সেটাই করবে। হেলিকপ্টার হোক , বিমান হোক, যাই হোক!! সেই ব্যবস্থাটাই করা হবে।

তো আমার মতো গরীব যারা তাদের জন্য জার্মানি ভালো!! কারণ আমার পকেটে এক টাকা না থাকলেও আমি কোটি টাকার চিকিৎসা করাতে পারবো।।

এবার একটা ইন্টারেস্টিং তথ্য দেই। বাংলাদেশে সম্ভবত ৫০০+ শিশু অলরেডি হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে !! আর‌ও ৫০ হাজার শিশু এখন হামে আক্রান্ত।

যে শিশুগুলো ইতিমধ্যে মারা গেছে এদের সবার মা বাবা গরীব!! ধনীর শিশু হামে মারা যায় না! আর রাষ্ট্রের টাকায় অর্থাৎ আমাদের টাকায় হামের টিকা না কিনে ঐ টাকা মেরে খেয়ে বসে আছে, সরকারী আরেক ধনী? আর মরছে আমাদের বাচ্চারা।।

টাকা আমাদের!! বাচ্চা আমাদের!! আমরা গরীব!! নাকি গরীব হয়ে জন্মানো টাই পাপ।। এইভাবে আর কত চলবে বাংলাদেশ, যেখানে মানুষ অসহায়। এই দূর্নীতি আর অনিয়ম কবে শেষ হবে। এই প্রশ্ন থেকেই যায়??

Germany park


•|• জার্মান প্রবাসী •|•

Read More
Published মে ১২, ২০২৬ by Shagor0 comment

সৃষ্টিকর্তার চাইলে

আপনি নিঃস্ব হতে পারেন

আপনার ধন-সম্পদ না থাকতে পারে। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার তো সবকিছুই আছে! তিনি যদি গোটা একটা পৃথিবী এবং এর ভেতরে থাকা সমস্ত কল্যাণ আপনাকে দিয়ে দেন, তার ভান্ডার থেকে একটু কমবে না!

দুআ করার কখনো নিজের দিকে তাকাবেন না‌। আপনার কি আছে, কি নাই, তা নিয়ে ভাববেন না। আপনি নিজেকে শূন্য‌ই ভাবুন। শূন্য হয়েই আল্লাহর কাছে চাইতে থাকুন। আল্লাহ আজ্জা-ওয়াজাল আপনাকে পূর্ণ করে দিতে স‌ক্ষম।

আপনার রবের ডিকশনারিতে "অসম্ভব" বলে কোন‌ শব্দ নাই। অভাব বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব নাই। তিনি "হ‌ও" বললেই তা হয়ে যায়। তিনি যাকে ইচ্ছে বেহিসাবি রিজিক দিয়ে থাকেন।  কারণ তিনি সৃষ্টি জগতের রাজাধিরাজ- শাহানশাহ।

চাইতে থাকুন আল্লাহর কাছে। অনেক বেশি বেশি করে। দুআ করুন প্রচুর। আখিরাত ও দুনিয়ার সমস্ত কল্যাণ চেয়ে নিন তার কাছে। ছোট, বড়, সম্ভব, অসম্ভব সবকিছুর জন্য দুআ করতে থাকুন।

যত কষ্ট, বেদনা আল্লাহর সাথে শেয়ার করুন। সারাদিন কারণে- অকারণে আল্লাহর সাথে কথা বলতে থাকুন।

আল্লাহ যখন আপনাকে দিবেন, পৃথিবীর কোনো শক্তি আপনার কল্যাণ ঠেকাতে পারেবে না। শুধু আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। ইনশাআল্লাহ তিনি সবকিছু দেওয়ার মালিক।🌸

quotes


•|• ----^^------ •|•

Read More
Published মে ০৮, ২০২৬ by Shagor0 comment

মুখোশধারী

 নিজের প্রতি একটু কোমল হোন।

কারণ! জীবনের প্রতিটি ফলাফল, আল্লাহর দেওয়া তাকদীর অনুযায়ী নির্ধারিত।

আপনি কি খাবেন ^ কার সাথে দেখা হবে, এমনকি আপনার চোখ দুটো কতবার পলক ফেলবে, সবকিছুই আল্লাহর ইচ্ছের মধ্যে নির্ধারিত।

আপনার দায়িত্ব শুধু চেষ্টা করা, সৎভাবে - আন্তরিকভাবে। তারপর বাকিটা ছেড়ে দিন আল্লাহর উপর। কারণ যা অন্য কারো জন্য নির্ধারিত, তা কখনোই আপনার কাছে আসবে না। আর যা আপনার ভাগ্য লেখা আছে, তা আপনি পাবেন‌ই - যত দূরেই থাকুক, যত অসম্ভব‌ই মনে হোক না কেন।

তাই দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই, নিজেকে দোষারোপ করা থেকেও বিরত থাকুন। এবং বিশ্বাস রাখুন আল্লাহ যা ভাগ্য লিখে রেখেছেন, সেটাই হয়তো আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি উত্তম।

<--------- •|• -------->

Read More